Gourarong Jomidar Bari
Bangladesh - Sunamganj

গৌরারং জমিদার বাড়ি, সুনামগঞ্জ: দুইশ বছরের ইতিহাস, স্থাপত্য, যাতায়াত এবং সম্পূর্ণ ভ্রমণ গাইড

বাংলাদেশের প্রাচীন ইতিহাস, জমিদারী প্রথার ঐতিহ্য এবং রহস্যঘেরা প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনগুলোর মধ্যে সুনামগঞ্জের গৌরারং জমিদার বাড়ি এক অনন্য সংযোজন। কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে থাকা শতবর্ষী এই রাজপ্রাসাদটি বাংলার জমিদারী আমলের বিলাসিতা, স্থাপত্যশৈলী এবং রাজনৈতিক ও সামাজিক পটপরিবর্তনের নানা অজানা কাহিনীর প্রতীক। যান্ত্রিকতার কোলাহল ছেড়ে যারা একটু প্রাচীন ইতিহাসের খোঁজে বের হতে চান, তাদের জন্য গৌরারং জমিদার বাড়ি এক দারুণ গন্তব্য।

১. ভৌগোলিক অবস্থান, ইতিহাস ও নামকরণের পটভূমি

  • কোথায় অবস্থিত: গৌরারং জমিদার বাড়িটি সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার অন্তর্গত গৌরারং ইউনিয়নের গৌরারং গ্রামে অবস্থিত [cite: সুনামগঞ্জ সদর হতে ওয়েজখালী হয়ে নৌকাযোগে টুকের বাজার থেকে রিক্সা, মোটরসাইকেল, সিএনজি, ইজিবাইক ইত্যাদি যাওয়া যাসুনামগঞ্জ সদর উপজেলার অন্তর্গত গৌরারং ইউনিয়ন এর গৌরারং গ্রামে।য়। ___ ২০০ বছরের পুরনো গৌরারং জমিদার বাড়ি সুনামগঞ্জ আমাদের চারপাশে ছড়িয়ে -ছিটিয়ে রয়েছে দৃষ্টিনন্দন মোঘল আমলে স্থাপিত জমিদারদের বিলাস বহুল পরিত্যক্ত অট্টালিকা । রয়েছে বাংলার জমিদারি প্রথা নানান অজানা কাহিনী , দেশের জমিদারি প্রথার ইতিহাসের অংশ হিসেবে আজ লেখা শুরু করলাম ধারাবাহিক সিরিজের প্রথম পর্ব জানা-অজানা ২০০ বছরের পুরনো গৌরারং জমিদার বাড়ি সুনামগঞ্জ । সুনামগঞ্জ জেলা শহর থেকে মাত্র ৩ কিলোমিটার পশ্চিমে গৌরারং গ্রাম , আর ত্রই গ্রামেই শত বছরের ইতিহাস বুকে নিয়ে ৩০ ত্রকর জমির উপর দাঁড়িয়ে আছে গৌরারং জমিদার বাড়ি । জানা যায় সুনামগঞ্জ তথা গৌরারং রাজ্যের প্রতাপশালী জমিদার ছিলেন জমিদার রাম গোবিন্দ চৌধুরী , ১৮০০ সালের শুরুর দিকে ত্রই জমিদারির প্রতিষ্ঠাকাল বলে জানান স্থানীয়রা । ২০০ বছরের পুরনো ত্রই অট্টালিকায় রয়েছে ৬ টি আলাদা ভবন , রঙমহলের দেয়ালে নর-নারী লতাপাতার বি আজও দর্শকদের আকৃষ্ট করে।]। এটি সুনামগঞ্জ জেলা শহর থেকে মাত্র ৩ কিলোমিটার পশ্চিমে অবস্থিত [cite: সুনামগঞ্জ সদর হতে ওয়েজখালী হয়ে নৌকাযোগে টুকের বাজার থেকে রিক্সা, মোটরসাইকেল, সিএনজি, ইজিবাইক ইত্যাদি যাওয়া যাসুনামগঞ্জ সদর উপজেলার অন্তর্গত গৌরারং ইউনিয়ন এর গৌরারং গ্রামে।য়। ___ ২০০ বছরের পুরনো গৌরারং জমিদার বাড়ি সুনামগঞ্জ আমাদের চারপাশে ছড়িয়ে -ছিটিয়ে রয়েছে দৃষ্টিনন্দন মোঘল আমলে স্থাপিত জমিদারদের বিলাস বহুল পরিত্যক্ত অট্টালিকা । রয়েছে বাংলার জমিদারি প্রথা নানান অজানা কাহিনী , দেশের জমিদারি প্রথার ইতিহাসের অংশ হিসেবে আজ লেখা শুরু করলাম ধারাবাহিক সিরিজের প্রথম পর্ব জানা-অজানা ২০০ বছরের পুরনো গৌরারং জমিদার বাড়ি সুনামগঞ্জ । সুনামগঞ্জ জেলা শহর থেকে মাত্র ৩ কিলোমিটার পশ্চিমে গৌরারং গ্রাম , আর ত্রই গ্রামেই শত বছরের ইতিহাস বুকে নিয়ে ৩০ ত্রকর জমির উপর দাঁড়িয়ে আছে গৌরারং জমিদার বাড়ি । জানা যায় সুনামগঞ্জ তথা গৌরারং রাজ্যের প্রতাপশালী জমিদার ছিলেন জমিদার রাম গোবিন্দ চৌধুরী , ১৮০০ সালের শুরুর দিকে ত্রই জমিদারির প্রতিষ্ঠাকাল বলে জানান স্থানীয়রা । ২০০ বছরের পুরনো ত্রই অট্টালিকায় রয়েছে ৬ টি আলাদা ভবন , রঙমহলের দেয়ালে নর-নারী লতাপাতার বি আজও দর্শকদের আকৃষ্ট করে।]। প্রায় ৩০ একর জমির ওপর শত বছরের ইতিহাস বুকে নিয়ে এই জমিদার বাড়িটি টিকে রয়েছে [cite: সুনামগঞ্জ সদর হতে ওয়েজখালী হয়ে নৌকাযোগে টুকের বাজার থেকে রিক্সা, মোটরসাইকেল, সিএনজি, ইজিবাইক ইত্যাদি যাওয়া যাসুনামগঞ্জ সদর উপজেলার অন্তর্গত গৌরারং ইউনিয়ন এর গৌরারং গ্রামে।য়। ___ ২০০ বছরের পুরনো গৌরারং জমিদার বাড়ি সুনামগঞ্জ আমাদের চারপাশে ছড়িয়ে -ছিটিয়ে রয়েছে দৃষ্টিনন্দন মোঘল আমলে স্থাপিত জমিদারদের বিলাস বহুল পরিত্যক্ত অট্টালিকা । রয়েছে বাংলার জমিদারি প্রথা নানান অজানা কাহিনী , দেশের জমিদারি প্রথার ইতিহাসের অংশ হিসেবে আজ লেখা শুরু করলাম ধারাবাহিক সিরিজের প্রথম পর্ব জানা-অজানা ২০০ বছরের পুরনো গৌরারং জমিদার বাড়ি সুনামগঞ্জ । সুনামগঞ্জ জেলা শহর থেকে মাত্র ৩ কিলোমিটার পশ্চিমে গৌরারং গ্রাম , আর ত্রই গ্রামেই শত বছরের ইতিহাস বুকে নিয়ে ৩০ ত্রকর জমির উপর দাঁড়িয়ে আছে গৌরারং জমিদার বাড়ি । জানা যায় সুনামগঞ্জ তথা গৌরারং রাজ্যের প্রতাপশালী জমিদার ছিলেন জমিদার রাম গোবিন্দ চৌধুরী , ১৮০০ সালের শুরুর দিকে ত্রই জমিদারির প্রতিষ্ঠাকাল বলে জানান স্থানীয়রা । ২০০ বছরের পুরনো ত্রই অট্টালিকায় রয়েছে ৬ টি আলাদা ভবন , রঙমহলের দেয়ালে নর-নারী লতাপাতার বি আজও দর্শকদের আকৃষ্ট করে.]।
  • প্রতিষ্ঠাকাল ও জমিদার বংশ: স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ১৮০০ সালের শুরুর দিকে এই জমিদারির গোড়াপত্তন করেন সুনামগঞ্জ তথা গৌরারং অঞ্চলের প্রতাপশালী জমিদার রাম গোবিন্দ চৌধুরী [cite: সুনামগঞ্জ সদর হতে ওয়েজখালী হয়ে নৌকাযোগে টুকের বাজার থেকে রিক্সা, মোটরসাইকেল, সিএনজি, ইজিবাইক ইত্যাদি যাওয়া যাসুনামগঞ্জ সদর উপজেলার অন্তর্গত গৌরারং ইউনিয়ন এর গৌরারং গ্রামে।য়। ___ ২০০ বছরের পুরনো গৌরারং জমিদার বাড়ি সুনামগঞ্জ আমাদের চারপাশে ছড়িয়ে -ছিটিয়ে রয়েছে দৃষ্টিনন্দন মোঘল আমলে স্থাপিত জমিদারদের বিলাস বহুল পরিত্যক্ত অট্টালিকা । রয়েছে বাংলার জমিদারি প্রথা নানান অজানা কাহিনী , দেশের জমিদারি প্রথার ইতিহাসের অংশ হিসেবে আজ লেখা শুরু করলাম ধারাবাহিক সিরিজের প্রথম পর্ব জানা-অজানা ২০০ বছরের পুরনো গৌরারং জমিদার বাড়ি সুনামগঞ্জ । সুনামগঞ্জ জেলা শহর থেকে মাত্র ৩ কিলোমিটার পশ্চিমে গৌরারং গ্রাম , আর ত্রই গ্রামেই শত বছরের ইতিহাস বুকে নিয়ে ৩০ ত্রকর জমির উপর দাঁড়িয়ে আছে গৌরারং জমিদার বাড়ি । জানা যায় সুনামগঞ্জ তথা গৌরারং রাজ্যের প্রতাপশালী জমিদার ছিলেন জমিদার রাম গোবিন্দ চৌধুরী , ১৮০০ সালের শুরুর দিকে ত্রই জমিদারির প্রতিষ্ঠাকাল বলে জানান স্থানীয়রা । ২০০ বছরের পুরনো ত্রই অট্টালিকায় রয়েছে ৬ টি আলাদা ভবন , রঙমহলের দেয়ালে নর-নারী লতাপাতার বি আজও দর্শকদের আকৃষ্ট করে.]। পরবর্তীতে এই বংশের উত্তরাধিকারী হিসেবে নগেন্দ্র চৌধুরী এই অঞ্চলের সর্বশেষ জমিদার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন [cite: প্রতিবেশী অনেকেই রাত্রিকালে ভবনের আশেপাশে প্রয়োজন ছাড়া তেমন একটা চলাফেরা করেন না ।দেখলে মনে হয় কোন ধ্বংসস্তূপ পরে আছে তবে ত্রকশত বছর আগে ভুমিকা কল্পে বাড়িটি বেশ ক্ষতিগ্রস্ত হয় । সেসময় ভূমিকম্পে চাপা পরে জমিদারের ছোট ভাই মারা যান বলে জানান স্থানীয়রা । ত্রছাড়াও ১৯৭১ সালে পাকবাহিনী বাড়ির মূল ফটক সহ বেশ কিছু স্থাপনা ধ্বংস করে । জমিদারদের উওরাধীকার দের মধ্যে কেউ আর ত্রখানে থাকেনা । জমিদার রাম গোবিন্দ চৌধুরীর কয়েক প্রজন্ম পরের নগেন্দ্র চৌধুরী ছিলেন ত্রই এলাকার সর্বশেষ জমিদার । তার পুত্র নিরঞ্জন চৌধুরী ত্রখন সুনামগঞ্জ শহরে স্থায়ীভাবে বসবাস করেন । তার পরিবারের মধ্যে রয়েছে ছেলে অঞ্জন চৌধুরী সহ ছেলের বউ লিপি শ্যাম ও ত্রকমাত্র নাতি অয়ন চৌধুরী । সুনামগঞ্জ শহরে প্রাচীন রাজ গোবিন্দ প্রাথমিক বিদ্যালয়টি স্থাপিত হয় উনার নামানুসারেই । ত্রকসময় গৌরারং জমিদার বাড়িতে দোল পূর্ণিমা সহ নানা ধরনের ধর্মীয় অনুষ্ঠান হত । আজ সবকিছু কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে । স্থানীয় প্রশাসন উদ্যোগ নিলে চমৎকার এক পর্যটনকেন্দ্র হতে পারে শত বছরের পুরনো ঐতিহাসিক এই জমিদার বাড়ি ।]। তাঁর নামানুসারেই সুনামগঞ্জ শহরে প্রাচীন ‘রাজ গোবিন্দ প্রাথমিক বিদ্যালয়’ প্রতিষ্ঠিত হয় [cite: প্রতিবেশী অনেকেই রাত্রিকালে ভবনের আশেপাশে প্রয়োজন ছাড়া তেমন একটা চলাফেরা করেন না ।দেখলে মনে হয় কোন ধ্বংসস্তূপ পরে আছে তবে ত্রকশত বছর আগে ভুমিকা কল্পে বাড়িটি বেশ ক্ষতিগ্রস্ত হয় । সেসময় ভূমিকম্পে চাপা পরে জমিদারের ছোট ভাই মারা যান বলে জানান স্থানীয়রা । ত্রছাড়াও ১৯৭১ সালে পাকবাহিনী বাড়ির মূল ফটক সহ বেশ কিছু স্থাপনা ধ্বংস করে । জমিদারদের উওরাধীকার দের মধ্যে কেউ আর ত্রখানে থাকেনা । জমিদার রাম গোবিন্দ চৌধুরীর কয়েক প্রজন্ম পরের নগেন্দ্র চৌধুরী ছিলেন ত্রই এলাকার সর্বশেষ জমিদার । তার পুত্র নিরঞ্জন চৌধুরী ত্রখন সুনামগঞ্জ শহরে স্থায়ীভাবে বসবাস করেন । তার পরিবারের মধ্যে রয়েছে ছেলে অঞ্জন চৌধুরী সহ ছেলের বউ লিপি শ্যাম ও ত্রকমাত্র নাতি অয়ন চৌধুরী । সুনামগঞ্জ শহরে প্রাচীন রাজ গোবিন্দ প্রাথমিক বিদ্যালয়টি স্থাপিত হয় উনার নামানুসারেই । ত্রকসময় গৌরারং জমিদার বাড়িতে দোল পূর্ণিমা সহ নানা ধরনের ধর্মীয় অনুষ্ঠান হত । আজ সবকিছু কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে । স্থানীয় প্রশাসন উদ্যোগ নিলে চমৎকার এক পর্যটনকেন্দ্র হতে পারে শত বছরের পুরনো ঐতিহাসিক এই জমিদার বাড়ি ।]।

২. স্থাপত্যশৈলী ও কাঠামোগত বৈশিষ্ট্য

  • ৬টি ভবন ও রঙমহল: প্রায় দুইশ বছরের পুরনো এই অট্টালিকায় মূলত ৬টি আলাদা ভবন রয়েছে [cite: সুনামগঞ্জ সদর হতে ওয়েজখালী হয়ে নৌকাযোগে টুকের বাজার থেকে রিক্সা, মোটরসাইকেল, সিএনজি, ইজিবাইক ইত্যাদি যাওয়া যাসুনামগঞ্জ সদর উপজেলার অন্তর্গত গৌরারং ইউনিয়ন এর গৌরারং গ্রামে।য়। ___ ২০০ বছরের পুরনো গৌরারং জমিদার বাড়ি সুনামগঞ্জ আমাদের চারপাশে ছড়িয়ে -ছিটিয়ে রয়েছে দৃষ্টিনন্দন মোঘল আমলে স্থাপিত জমিদারদের বিলাস বহুল পরিত্যক্ত অট্টালিকা । রয়েছে বাংলার জমিদারি প্রথা নানান অজানা কাহিনী , দেশের জমিদারি প্রথার ইতিহাসের অংশ হিসেবে আজ লেখা শুরু করলাম ধারাবাহিক সিরিজের প্রথম পর্ব জানা-অজানা ২০০ বছরের পুরনো গৌরারং জমিদার বাড়ি সুনামগঞ্জ । সুনামগঞ্জ জেলা শহর থেকে মাত্র ৩ কিলোমিটার পশ্চিমে গৌরারং গ্রাম , আর ত্রই গ্রামেই শত বছরের ইতিহাস বুকে নিয়ে ৩০ ত্রকর জমির উপর দাঁড়িয়ে আছে গৌরারং জমিদার বাড়ি । জানা যায় সুনামগঞ্জ তথা গৌরারং রাজ্যের প্রতাপশালী জমিদার ছিলেন জমিদার রাম গোবিন্দ চৌধুরী , ১৮০০ সালের শুরুর দিকে ত্রই জমিদারির প্রতিষ্ঠাকাল বলে জানান স্থানীয়রা । ২০০ বছরের পুরনো ত্রই অট্টালিকায় রয়েছে ৬ টি আলাদা ভবন , রঙমহলের দেয়ালে নর-নারী লতাপাতার বি আজও দর্শকদের আকৃষ্ট করে.]। এর রঙমহলের দেয়ালে খোদাই করা নর-নারী ও লতাপাতার প্রাচীন কারুকার্য আজও দর্শকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে [cite: সুনামগঞ্জ সদর হতে ওয়েজখালী হয়ে নৌকাযোগে টুকের বাজার থেকে রিক্সা, মোটরসাইকেল, সিএনজি, ইজিবাইক ইত্যাদি যাওয়া যাসুনামগঞ্জ সদর উপজেলার অন্তর্গত গৌরারং ইউনিয়ন এর গৌরারং গ্রামে।য়। ___ ২০০ বছরের পুরনো গৌরারং জমিদার বাড়ি সুনামগঞ্জ আমাদের ছড়িয়ে -ছিটিয়ে রয়েছে দৃষ্টিনন্দন মোঘল আমলে স্থাপিত জমিদারদের বিলাস বহুল পরিত্যক্ত অট্টালিকা । রয়েছে বাংলার জমিদারি প্রথা নানান অজানা কাহিনী , দেশের জমিদারি প্রথার ইতিহাসের অংশ হিসেবে আজ লেখা শুরু করলাম ধারাবাহিক সিরিজের প্রথম পর্ব জানা-অজানা ২০০ বছরের পুরনো গৌরারং জমিদার বাড়ি সুনামগঞ্জ । সুনামগঞ্জ জেলা শহর থেকে মাত্র ৩ কিলোমিটার পশ্চিমে গৌরারং গ্রাম , আর ত্রই গ্রামেই শত বছরের ইতিহাস বুকে নিয়ে ৩০ ত্রকর জমির উপর দাঁড়িয়ে আছে গৌরারং জমিদার বাড়ি । জানা যায় সুনামগঞ্জ তথা গৌরারং রাজ্যের প্রতাপশালী জমিদার ছিলেন জমিদার রাম গোবিন্দ চৌধুরী , ১৮০০ সালের শুরুর দিকে ত্রই জমিদারির প্রতিষ্ঠাকাল বলে জানান স্থানীয়রা । ২০০ বছরের পুরনো ত্রই অট্টালিকায় রয়েছে ৬ টি আলাদা ভবন , রঙমহলের দেয়ালে নর-নারী লতাপাতার বি আজও দর্শকদের আকৃষ্ট করে.]। এককালে রঙিন আলোয় আলোকিত রাজকক্ষগুলো বর্তমানে পরিত্যক্ত অবস্থায় রয়েছে [cite: বাড়ির ভিতরে প্রবেশ করলে ত্রখনো গা ছমছম করে , অন্ধকার থাকে ত্রক কালে রঙিন আলোয় আলোকিত রাজ কক্ষসমুহ । ত্রক সময়ে বাড়ির আঙিনায় রাজ বংশের বংশধর ব্যতীত কেউ জুতা পায়ে চলাচল করলে তার শাস্তি হত । ইতোমধ্যে দালানের গায়ে শ্যাওলা জমে দেয়াল গুলো প্রায় নষ্ট হয়ে গেছে । রঙমহল ভবনের সম্মুখভাগে রয়েছে বিশাল আকৃতির ত্রকটি পুকুর যা প্রাসাদ ত্রর সৌন্দর্যকে আরও ত্রকধাপ বারিয়ে দিয়েছে । মূলভবনের ডান পাশে রয়েছে আরও ত্রকটি দীঘি যেখানে জমিদার বাড়ির নারীরা গোসল করতেন যাতায়াতের জন্য তৈরি করা হয় জল বারান্দা। জমিদার রাম গোবিন্দ চৌধুরী যে কতটা সৌখীন ছিলেন তার প্রমাণ পাওয়া যায় দেয়াল বেষ্টিত ঘাট দৃষ্টিনন্দন স্থাপনা দেখে । তবে রাজ বাড়ির মূল ভবনের ভেতোরটা কেমন জানি ভুতুড়ে পরিবেশ মনে হয় ।]।
  • কড়া নিয়ম ও সামাজিক প্রেক্ষাপট: সেসময়ের জমিদারী প্রথার কড়াকড়ির নজির হিসেবে জানা যায়, একসময় এই বাড়ির আঙিনায় রাজবংশের বংশধর ছাড়া সাধারণ কেউ জুতো পায়ে দিয়ে চলাচল করলে কঠোর শাস্তি পেতেন [cite: বাড়ির ভিতরে প্রবেশ করলে ত্রখনো গা ছমছম করে , অন্ধকার থাকে ত্রক কালে রঙিন আলোয় আলোকিত রাজ কক্ষসমুহ । ত্রক সময়ে বাড়ির আঙিনায় রাজ বংশের বংশধর ব্যতীত কেউ জুতা পায়ে চলাচল করলে তার শাস্তি হত । ইতোমধ্যে দালানের গায়ে শ্যাওলা জমে দেয়াল গুলো প্রায় নষ্ট হয়ে গেছে । রঙমহল ভবনের সম্মুখভাগে রয়েছে বিশাল আকৃতির ত্রকটি পুকুর যা প্রাসাদ ত্রর সৌন্দর্যকে আরও ত্রকধাপ বারিয়ে দিয়েছে । মূলভবনের ডান পাশে রয়েছে আরও ত্রকটি দীঘি যেখানে জমিদার বাড়ির নারীরা গোসল করতেন যাতায়াতের জন্য তৈরি করা হয় জল বারান্দা। জমিদার রাম গোবিন্দ চৌধুরী যে কতটা সৌখীন ছিলেন তার প্রমাণ পাওয়া যায় দেয়াল বেষ্টিত ঘাট দৃষ্টিনন্দন স্থাপনা দেখে । তবে রাজ বাড়ির মূল ভবনের ভেতোরটা কেমন জানি ভুতুড়ে পরিবেশ মনে হয় ।]।
  • পুকুর ও ঘাট: রঙমহল ভবনের সম্মুখভাগে একটি বিশাল আকৃতির পুকুর এবং মূল ভবনের ডান পাশে নারীদের গোসলের জন্য নির্ধারিত আরেকটি দীঘি ও জলবারান্দা রয়েছে [cite: বাড়ির ভিতরে প্রবেশ করলে ত্রখনো গা ছমছম করে , অন্ধকার থাকে ত্রক কালে রঙিন আলোয় আলোকিত রাজ কক্ষসমুহ । ত্রক সময়ে বাড়ির আঙিনায় রাজ বংশের বংশধর ব্যতীত কেউ জুতা পায়ে চলাচল করলে তার শাস্তি হত । ইতোমধ্যে দালানের গায়ে শ্যাওলা জমে দেয়াল গুলো প্রায় নষ্ট হয়ে গেছে । রঙমহল ভবনের সম্মুখভাগে রয়েছে বিশাল আকৃতির ত্রকটি পুকুর যা প্রাসাদ ত্রর সৌন্দর্যকে আরও ত্রকধাপ বারিয়ে দিয়েছে । মূলভবনের ডান পাশে রয়েছে আরও ত্রকটি দীঘি যেখানে জমিদার বাড়ির নারীরা গোসল করতেন যাতায়াতের জন্য তৈরি করা হয় জল বারান্দা। জমিদার রাম গোবিন্দ চৌধুরী যে কতটা সৌখীন ছিলেন তার প্রমাণ পাওয়া যায় দেয়াল বেসের ঘাট দৃষ্টিনন্দন স্থাপনা দেখে । তবে রাজ বাড়ির মূল ভবনের ভেতোরটা কেমন জানি ভুতুড়ে পরিবেশ মনে হয় ।]। জমিদার রাম গোবিন্দ চৌধুরীর সৌখীনতার প্রমাণ মেলে এসব দেয়ালবেষ্টিত দৃষ্টিনন্দন ঘাট ও স্থাপনাগুলো দেখলে [cite: বাড়ির ভিতরে প্রবেশ করলে ত্রখনো গা ছমছম করে , অন্ধকার থাকে ত্রক কালে রঙিন আলোয় আলোকিত রাজ কক্ষসমুহ । ত্রক সময়ে বাড়ির আঙিনায় রাজ বংশের বংশধর ব্যতীত কেউ জুতা পায়ে চলাচল করলে তার শাস্তি হত । ইতোমধ্যে দালানের গায়ে শ্যাওলা জমে দেয়াল গুলো প্রায় নষ্ট হয়ে গেছে । রঙমহল ভবনের সম্মুখভাগে রয়েছে বিশাল আকৃতির ত্রকটি পুকুর যা প্রাসাদ ত্রর সৌন্দর্যকে আরও ত্রকধাপ বারিয়ে দিয়েছে । মূলভবনের ডান পাশে রয়েছে আরও ত্রকটি দীঘি যেখানে জমিদার বাড়ির নারীরা গোসল করতেন যাতায়াতের জন্য তৈরি করা হয় জল বারান্দা। জমিদার রাম গোবিন্দ চৌধুরী যে কতটা সৌখীন ছিলেন তার প্রমাণ পাওয়া যায় দেয়াল বেষ্টিত ঘাট দৃষ্টিনন্দন স্থাপনা দেখে । তবে রাজ বাড়ির মূল ভবনের ভেতোরটা কেমন জানি ভুতুড়ে পরিবেশ মনে হয় ।]।

৩. ঐতিহাসিক ক্ষতি ও বর্তমান অবস্থা

  • ভূমিকম্প ও ১৯৭১ সালের ধ্বংসযজ্ঞ: প্রায় শতবছর আগে এক প্রলয়ংকরী ভূমিকম্পে এই জমিদার বাড়ির কিছু অংশ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং সেসময়ে ভূমিকম্পে চাপা পড়ে জমিদারের ছোট ভাই মারা যান বলে জনশ্রুতি রয়েছে [cite: প্রতিবেশী অনেকেই রাত্রিকালে ভবনের আশেপাশে প্রয়োজন ছাড়া তেমন একটা চলাফেরা করেন না ।দেখলে মনে হয় কোন ধ্বংসস্তূপ পরে আছে তবে ত্রকশত বছর আগে ভুমিকা কল্পে বাড়িটি বেশ ক্ষতিগ্রস্ত হয় । সেসময় ভূমিকম্পে চাপা পরে জমিদারের ছোট ভাই মারা যান বলে জানান স্থানীয়রা । ত্রছাড়াও ১৯৭১ সালে পাকবাহিনী বাড়ির মূল ফটক সহ বেশ কিছু স্থাপনা ধ্বংস করে । জমিদারদের উওরাধীকার দের মধ্যে কেউ আর ত্রখানে থাকেনা । জমিদার রাম গোবিন্দ চৌধুরীর কয়েক প্রজন্ম পরের নগেন্দ্র চৌধুরী ছিলেন ত্রই এলাকার সর্বশেষ জমিদার । তার পুত্র নিরঞ্জন চৌধুরী ত্রখন সুনামগঞ্জ শহরে স্থায়ীভাবে বসবাস করেন । তার পরিবারের মধ্যে রয়েছে ছেলে অঞ্জন চৌধুরী সহ ছেলের বউ লিপি শ্যাম ও ত্রকমাত্র নাতি অয়ন চৌধুরী । সুনামগঞ্জ শহরে প্রাচীন রাজ গোবিন্দ প্রাথমিক বিদ্যালয়টি স্থাপিত হয় উনার নামানুসারেই । ত্রকসময় গৌরারং জমিদার বাড়িতে দোল পূর্ণিমা সহ নানা ধরনের ধর্মীয় অনুষ্ঠান হত । আজ সবকিছু কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে । স্থানীয় প্রশাসন উদ্যোগ নিলে চমৎকার এক পর্যটনকেন্দ্র হতে পারে শত বছরের পুরনো ঐতিহাসিক এই জমিদার বাড়ি ।]। পরবর্তীতে ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী এই বাড়ির মূল ফটকসহ বেশ কিছু অংশ ধ্বংস করে দেয় [cite: প্রতিবেশী অনেকেই রাত্রিকালে ভবনের আশেপাশে প্রয়োজন ছাড়া তেমন একটা চলাফেরা করেন না ।দেখলে মনে হয় কোন ধ্বংসস্তূপ পরে আছে তবে ত্রকশত বছর আগে ভুমিকা কল্পে বাড়িটি বেশ ক্ষতিগ্রস্ত হয় । সেসময় ভূমিকম্পে চাপা পরে জমিদারের ছোট ভাই মারা যান বলে জানান স্থানীয়রা । ত্রছাড়াও ১৯৭১ সালে পাকবাহিনী বাড়ির মূল ফটক সহ বেশ কিছু স্থাপনা ধ্বংস করে । জমিদারদের উওরাধীকার দের মধ্যে কেউ আর ত্রখানে থাকেনা । জমিদার রাম গোবিন্দ চৌধুরীর কয়েক প্রজন্ম পরের নগেন্দ্র চৌধুরী ছিলেন ত্রই এলাকার সর্বশেষ জমিদার । তার পুত্র নিরঞ্জন চৌধুরী ত্রখন সুনামগঞ্জ শহরে স্থায়ীভাবে বসবাস করেন । তার পরিবারের মধ্যে রয়েছে ছেলে অঞ্জন চৌধুরী সহ ছেলের বউ লিপি শ্যাম ও ত্রকমাত্র নাতি অয়ন চৌধুরী । সুনামগঞ্জ শহরে প্রাচীন রাজ গোবিন্দ প্রাথমিক বিদ্যালয়টি স্থাপিত হয় উনার নামানুসারেই । ত্রকসময় গৌরারং জমিদার বাড়িতে দোল পূর্ণিমা সহ নানা ধরনের ধর্মীয় অনুষ্ঠান হত । আজ সবকিছু কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে । স্থানীয় প্রশাসন উদ্যোগ নিলে চমৎকার এক পর্যটনকেন্দ্র হতে পারে শত বছরের পুরনো ঐতিহাসিক এই জমিদার বাড়ি ।]।
  • বর্তমান রূপ ও পরিবেশ: বর্তমানে বংশধরদের কেউ এখানে বসবাস করেন না [cite: প্রতিবেশী অনেকেই রাত্রিকালে ভবনের আশেপাশে প্রয়োজন ছাড়া তেমন একটা চলাফেরা করেন না ।দেখলে মনে হয় কোন ধ্বংসস্তূপ পরে আছে তবে ত্রকশত বছর আগে ভুমিকা কল্পে বাড়িটি বেশ ক্ষতিগ্রস্ত হয় । সেসময় ভূমিকম্পে চাপা পরে জমিদারের ছোট ভাই মারা যান বলে জানান স্থানীয়রা । ত্রছাড়াও ১৯৭১ সালে পাকবাহিনী বাড়ির মূল ফটক সহ বেশ কিছু স্থাপনা ধ্বংস করে । জমিদারদের উওরাধীকার দের মধ্যে কেউ আর ত্রখানে থাকেনা । জমিদার রাম গোবিন্দ চৌধুরীর কয়েক প্রজন্ম পারের নগেন্দ্র চৌধুরী ছিলেন ত্রই এলাকার সর্বশেষ জমিদার । তার পুত্র নিরঞ্জন চৌধুরী ত্রখন সুনামগঞ্জ শহরে স্থায়ীভাবে বসবাস করেন । তার পরিবারের মধ্যে রয়েছে ছেলে অঞ্জন চৌধুরী সহ ছেলের বউ লিপি শ্যাম ও ত্রকমাত্র নাতি অয়ন চৌধুরী । সুনামগঞ্জ শহরে প্রাচীন রাজ গোবিন্দ প্রাথমিক বিদ্যালয়টি স্থাপিত হয় উনার নামানুসারেই । ত্রকসময় গৌরারং জমিদার বাড়িতে দোল পূর্ণিমা সহ নানা ধরনের ধর্মীয় অনুষ্ঠান হত । আজ সবকিছু কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে । স্থানীয় প্রশাসন উদ্যোগ নিলে চমৎকার এক পর্যটনকেন্দ্র হতে পারে শত বছরের পুরনো ঐতিহাসিক এই জমিদার বাড়ি ।]। রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে দালানের গায়ে শ্যাওলা জমে চারপাশ প্রায় ভুতুড়ে ও ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে [cite: বাড়ির ভিতরে প্রবেশ করলে ত্রখনো গা ছমছম করে , অন্ধকার থাকে ত্রক কালে রঙিন আলোয় আলোকিত রাজ কক্ষসমুহ । ত্রক সময়ে বাড়ির আঙিনায় রাজ বংশের বংশধর ব্যতীত কেউ জুতা পায়ে চলাচল করলে তার শাস্তি হত । ইতোমধ্যে দালানের গায়ে শ্যাওলা জমে দেয়াল গুলো প্রায় নষ্ট হয়ে গেছে । রঙমহল ভবনের সম্মুখভাগে রয়েছে বিশাল আকৃতির ত্রকটি পুকুর যা প্রাসাদ ত্রর সৌন্দর্যকে আরও ত্রকধাপ বারিয়ে দিয়েছে । মূলভবনের ডান পাশে রয়েছে আরও ত্রকটি দীঘি যেখানে জমিদার বাড়ির নারীরা গোসল করতেন যাতায়াতের জন্য তৈরি করা হয় জল বারান্দা। জমিদার রাম গোবিন্দ চৌধুরী যে কতটা সৌখীন ছিলেন তার প্রমাণ পাওয়া যায় দেয়াল বেষ্টিত ঘাট দৃষ্টিনন্দন স্থাপনা দেখে । তবে রাজ বাড়ির মূল ভবনের ভেতোরটা কেমন জানি ভুতুড়ে পরিবেশ মনে হয় ।, প্রতিবেশী অনেকেই রাত্রিকালে ভবনের আশেপাশে প্রয়োজন ছাড়া তেমন একটা চলাফেরা করেন না ।দেখলে মনে হয় কোন ধ্বংসস্তূপ পরে আছে তবে ত্রকশত বছর আগে ভুমিকা কল্পে বাড়িটি বেশ ক্ষতিগ্রস্ত হয় । সেসময় ভূমিকম্পে চাপা পরে জমিদারের ছোট ভাই মারা যান বলে জানান স্থানীয়রা । ত্রছাড়াও ১৯৭১ সালে পাকবাহিনী বাড়ির মূল ফটক সহ বেশ কিছু স্থাপনা ধ্বংস করে । জমিদারদের উওরাধীকার দের মধ্যে কেউ আর ত্রখানে থাকেনা । জমিদার রাম গোবিন্দ চৌধুরীর কয়েক প্রজন্ম পরের নগেন্দ্র চৌধুরী ছিলেন ত্রই এলাকার সর্বশেষ জমিদার । তার পুত্র নিরঞ্জন চৌধুরী ত্রখন সুনামগঞ্জ শহরে স্থায়ীভাবে বসবাস করেন । তার পরিবারের মধ্যে রয়েছে ছেলে অঞ্জন চৌধুরী সহ ছেলের বউ লিপি শ্যাম ও ত্রকমাত্র নাতি অয়ন চৌধুরী । সুনামগঞ্জ শহরে প্রাচীন রাজ গোবিন্দ প্রাথমিক বিদ্যালয়টি স্থাপিত হয় উনার নামানুসারেই । ত্রকসময় গৌরারং জমিদার বাড়িতে দোল পূর্ণিমা সহ নানা ধরনের ধর্মীয় অনুষ্ঠান হত । আজ সবকিছু কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে । স্থানীয় প্রশাসন উদ্যোগ নিলে চমৎকার এক পর্যটনকেন্দ্র হতে পারে শত বছরের পুরনো ঐতিহাসিক এই জমিদার বাড়ি ।]। তবে ইতিহাসের নিদর্শন দেখতে এবং ফটোগ্রাফির জন্য ভ্রমণপিপাসুরা এখানে ভিড় করেন। এককালে এখানে জাঁকজমকপূর্ণভাবে দোল পূর্ণিমাসহ নানা ধর্মীয় উৎসব অনুষ্ঠিত হতো [cite: প্রতিবেশী অনেকেই রাত্রিকালে ভবনের আশেপাশে প্রয়োজন ছাড়া তেমন একটা চলাফেরা করেন না ।দেখলে মনে হয় কোন ধ্বংসস্তূপ পরে আছে তবে ত্রকশত বছর আগে ভুমিকা কল্পে বাড়িটি বেশ ক্ষতিগ্রস্ত হয় । সেসময় ভূমিকম্পে চাপা পরে জমিদারের ছোট ভাই মারা যান বলে জানান স্থানীয়রা । ত্রছাড়াও ১৯৭১ সালে পাকবাহিনী বাড়ির মূল ফটক সহ বেশ কিছু স্থাপনা ধ্বংস করে । জমিদারদের উওরাধীকার দের মধ্যে কেউ আর ত্রখানে থাকেনা । জমিদার রাম গোবিন্দ চৌধুরীর কয়েক প্রজন্ম পরের নগেন্দ্র চৌধুরী ছিলেন ত্রই এলাকার সর্বশেষ জমিদার । তার পুত্র নিরঞ্জন চৌধুরী ত্রখন সুনামগঞ্জ শহরে স্থায়ীভাবে বসবাস করেন । তার পরিবারের মধ্যে রয়েছে ছেলে অঞ্জন চৌধুরী সহ ছেলের বউ লিপি শ্যাম ও ত্রকমাত্র নাতি অয়ন চৌধুরী । সুনামগঞ্জ শহরে প্রাচীন রাজ গোবিন্দ প্রাথমিক বিদ্যালয়টি স্থাপিত হয় উনার নামানুসারেই । ত্রকসময় গৌরারং জমিদার বাড়িতে দোল পূর্ণিমা সহ নানা ধরনের ধর্মীয় অনুষ্ঠান হত । আজ সবকিছু কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে । স্থানীয় প্রশাসন উদ্যোগ নিলে চমৎকার এক পর্যটনকেন্দ্র হতে পারে শত বছরের পুরনো ঐতিহাসিক এই জমিদার বাড়ি ।]।
Gourarong Jomidar Bari Map

৪. ঢাকা থেকে কীভাবে যাবেন

ঢাকা থেকে গৌরারং জমিদার বাড়ি (সুনামগঞ্জ) যাতায়াতের সুনির্দিষ্ট রুট নিচে দেওয়া হলো:

ঢাকা থেকে সুনামগঞ্জ:

  • ঢাকার ফকিরাপুল, সায়েদাবাদ বা মহাখালী বাস টার্মিনাল থেকে এনা পরিবহন, শ্যামলী পরিবহন বা হানিফ এন্টারপ্রাইজের এসি/নন-এসি বাসে সরাসরি সুনামগঞ্জ জেলা সদরে যাওয়া যায়। সময় লাগে প্রায় ৬ থেকে ৭ ঘণ্টা।

সুনামগঞ্জ শহর থেকে গৌরারং জমিদার বাড়ি:

  • সুনামগঞ্জ সদর থেকে ওয়েজখালী হয়ে নৌকাযোগে টুকের বাজার যাওয়া যায় [cite: সুনামগঞ্জ সদর হতে ওয়েজখালী হয়ে নৌকাযোগে টুকের বাজার থেকে রিক্সা, মোটরসাইকেল, সিএনজি, ইজিবাইক ইত্যাদি যাওয়া যাসুনামগঞ্জ সদর উপজেলার অন্তর্গত গৌরারং ইউনিয়ন এর গৌরারং গ্রামে।য়।]।
  • এছাড়া সুনামগঞ্জ শহর থেকে রিকশা, মোটরসাইকেল, সিএনজি বা ইজিবাইক (অটোরিকশা) ভাড়া করে সরাসরি সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার গৌরারং ইউনিয়নের গৌরারং গ্রামে জমিদার বাড়িতে পৌঁছে যাওয়া যায় [cite: সুনামগঞ্জ সদর হতে ওয়েজখালী হয়ে নৌকাযোগে টুকের বাজার থেকে রিক্সা, মোটরসাইকেল, সিএনজি, ইজিবাইক ইত্যাদি যাওয়া যাসুনামগঞ্জ সদর উপজেলার অন্তর্গত গৌরারং ইউনিয়ন এর গৌরারং গ্রামে।য়।]। জেলা শহর থেকে দূরত্ব মাত্র ৩ কিলোমিটার হওয়ায় যাতায়াত খুবই সহজ।

৫. কোথায় থাকবেন (সুনামগঞ্জ শহর)

গৌরারং জমিদার বাড়ির কাছাকাছি সরাসরি কোনো মানসম্মত আবাসিক হোটেল বা রিসোর্ট নেই। তাই দর্শনার্থীদের জন্য সুনামগঞ্জ জেলা শহরে ফিরে রাত্রিযাপন করাটাই সবচেয়ে নিরাপদ ও সুবিধাজনক:

  • সুনামগঞ্জ শহরের হোটেল: সুনামগঞ্জ শহরের স্টেশন রোড, নতুন বাসস্ট্যান্ড বা পূর্ব বাজার এলাকায় বেশ কিছু ভালো মানের আবাসিক হোটেল রয়েছে (যেমন: হোটেল সারপিনিয়া, হোটেল নূর, হোটেল মিজান, সুরমা ভ্যালী আবাসিক রিসোর্ট, হোটেল প্যালেস ইত্যাদি)। এসব হোটেলে রুম ভাড়া ২০০ থেকে ১,০০০ টাকার মধ্যে পাওয়া যায়।

৬. সাধারণ জিজ্ঞাসা (FAQ)

প্রশ্ন ১: গৌরারং জমিদার বাড়ি পরিদর্শনের উপযুক্ত সময় কোনটি?

উত্তর: বছরের যেকোনো সময়ই গৌরারং জমিদার বাড়ি ঘুরে দেখা যায়। তবে দিনের আলোয় (বিশেষ করে সকাল থেকে বিকালের মধ্যে) যাওয়া সবচেয়ে ভালো, কারণ সন্ধ্যার পর আশপাশের পরিবেশ বেশ নির্জন ও অন্ধকারাচ্ছন্ন হয়ে পড়ে।

প্রশ্ন ২: জমিদার বাড়িতে প্রবেশের জন্য কি কোনো টিকিট বা ফি লাগে?

উত্তর: না, এটি কোনো সরকারি বা বাণিজ্যিকভাবে সংরক্ষিত টিকিট কাউন্টারযুক্ত পর্যটন স্পট নয়। এটি একটি উন্মুক্ত ঐতিহাসিক স্থান, তাই প্রবেশের জন্য কোনো ফি দিতে হয় না।

প্রশ্ন ৩: গৌরারং জমিদার বাড়ির বর্তমান মালিক কে বা কারা দেখাশোনা করেন?

উত্তর: জমিদার বংশের শেষ জমিদার নগেন্দ্র চৌধুরীর পুত্র নিরঞ্জন চৌধুরী বর্তমানে সুনামগঞ্জ শহরে স্থায়ীভাবে বসবাস করছেন [cite: প্রতিবেশী অনেকেই রাত্রিকালে ভবনের আশেপাশে প্রয়োজন ছাড়া তেমন একটা চলাফেরা করেন না ।দেখলে মনে হয় কোন ধ্বংসস্তূপ পরে আছে তবে ত্রকশত বছর আগে ভুমিকা কল্পে বাড়িটি বেশ ক্ষতিগ্রস্ত হয় । সেসময় ভূমিকম্পে চাপা পরে জমিদারের ছোট ভাই মারা যান বলে জানান স্থানীয়রা । ত্রছাড়াও ১৯৭১ সালে পাকবাহিনী বাড়ির মূল ফটক সহ বেশ কিছু স্থাপনা ধ্বংস করে । জমিদারদের উওরাধীকার দের মধ্যে কেউ আর ত্রখানে থাকেনা । জমিদার রাম গোবিন্দ চৌধুরীর কয়েক প্রজন্ম পরের নগেন্দ্র চৌধুরী ছিলেন ত্রই এলাকার সর্বশেষ জমিদার । তার পুত্র নিরঞ্জন চৌধুরী ত্রখন সুনামগঞ্জ শহরে স্থায়ীভাবে বসবাস করেন । তার পরিবারের মধ্যে রয়েছে ছেলে অঞ্জন চৌধুরী সহ ছেলের বউ লিপি শ্যাম ও ত্রকমাত্র নাতি অয়ন চৌধুরী । সুনামগঞ্জ শহরে প্রাচীন রাজ গোবিন্দ প্রাথমিক বিদ্যালয়টি স্থাপিত হয় উনার নামানুসারেই । ত্রকসময় গৌরারং জমিদার বাড়িতে দোল পূর্ণিমা সহ নানা ধরনের ধর্মীয় অনুষ্ঠান হত । আজ সবকিছু কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে । স্থানীয় প্রশাসন উদ্যোগ নিলে চমৎকার এক পর্যটনকেন্দ্র হতে পারে শত বছরের পুরনো ঐতিহাসিক এই জমিদার বাড়ি ।]। বর্তমানে বাড়িটি পরিত্যক্ত অবস্থায় রয়েছে এবং স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে সংরক্ষণের দাবি রয়েছে [cite: প্রতিবেশী অনেকেই রাত্রিকালে ভবনের আশেপাশে প্রয়োজন ছাড়া তেমন একটা চলাফেরা করেন না ।দেখলে মনে হয় কোন ধ্বংসস্তূপ পরে আছে তবে ত্রকশত বছর আগে ভুমিকা কল্পে বাড়িটি বেশ ক্ষতিগ্রস্ত হয় । সেসময় ভূমিকম্পে চাপা পরে জমিদারের ছোট ভাই মারা যান বলে জানান স্থানীয়রা । ত্রছাড়াও ১৯৭১ সালে পাকবাহিনী বাড়ির মূল ফটক সহ বেশ কিছু স্থাপনা ধ্বংস করে । জমিদারদের উওরাধীকার দের মধ্যে কেউ আর ত্রখানে থাকেনা । জমিদার রাম গোবিন্দ চৌধুরীর কয়েক প্রজন্ম পরের নগেন্দ্র চৌধুরী ছিলেন ত্রই এলাকার সর্বশেষ জমিদার । তার পুত্র নিরঞ্জন চৌধুরী ত্রখন সুনামগঞ্জ শহরে স্থায়ীভাবে বসবাস করেন । তার পরিবারের মধ্যে রয়েছে ছেলে অঞ্জন চৌধুরী সহ ছেলের বউ লিপি শ্যাম ও ত্রকমাত্র নাতি অয়ন চৌধুরী । সুনামগঞ্জ শহরে প্রাচীন রাজ গোবিন্দ প্রাথমিক বিদ্যালয়টি স্থাপিত হয় উনার নামানুসারেই । ত্রকসময় গৌরারং জমিদার বাড়িতে দোল পূর্ণিমা সহ নানা ধরনের ধর্মীয় অনুষ্ঠান হত । আজ সবকিছু কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে । স্থানীয় প্রশাসন উদ্যোগ নিলে চমৎকার এক পর্যটনকেন্দ্র হতে পারে শত বছরের পুরনো ঐতিহাসিক এই জমিদার বাড়ি ।]।

প্রশ্ন ৪: ইতিহাসপ্রেমী ও পর্যটকদের জন্য এখানে কী ধরনের সতর্কতা নেওয়া উচিত?

উত্তর: মূল ভবনের ভেতরের অংশগুলোর অবকাঠামো বেশ পুরোনো ও জরাজীর্ণ হওয়ায় হাঁটার সময় সাবধানে চলাচল করা উচিত। দলবদ্ধভাবে ভ্রমণ করা এবং সন্ধ্যার আগে এলাকা ত্যাগ করা বুদ্ধিমানের কাজ হবে।

Leave a Reply